The Proposal (2)

January 14, 2021

নীহা চমকে উঠে আমার থেকে একটু দূরে সরে বসে আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকাল, “আপনি কি আমাকে প্রোপোজ করলেন?”

আমি হাতটা ধরতে চাইলে নীহা হাত সরিয়ে নেয় - “স্প্লীজ হাত ধরবেন না।”

আমি নীহা কে টেনে আমার কাছে এনে বলি, “তোমার হাত ধরতে মানা ছিল, তোমাকে ধরতে তো মানা কর নাই - হ্যাঁ প্রপোজ করলাম।”

নীহা এবার আর সরে যাওয়ার চেষ্টা করে না, “কিন্তু তুশান, এইটা অনেক আনফেয়ার … আপনি তো চলে যাবেন প্রোজেক্ট এলিক্সিরে।আপনি আমার থেকে এই রকম এক্সপেকটেশন রাখতে পারেন না! ” আনফেয়ার? হুম কিছুটা আনফেয়ারই, প্রোজেক্ট এলিক্সির কমপ্লিট করতে আমার সময় লাগবে কয়েক মিনিট - কিন্তু একটি নির্মম প্রাণহীন থিওরি অফ রিলেটিভিটির জন্য পৃথিবীতে কেটে যাবে দুইবছর। এই দুই বছর একা থাকতে হবে নীহাকে, যেটি কোন মেয়েরই মেনে নেয়ার কথা না।

আমি বললাম, “দুই বছর দেখতে দেখতে দেখতে কেটে যাবে নীহা”। আমি একটু থেমে যোগ করলাম, “আমি ঝুলে থাকতে পারবো না নীহা - আমাকে এনসার দিও। তুমি যদি না বলো - আই আন্ডারস্ট্যান্ড…”

“আপনার জন্য দুই মিনিট - এই জন্য এভাবে বলতে পারেন। তাছাড়া আমরা একজন আরেকজন কে চিনি মাত্র ছয়মাস - ছয়মাসে আপনি কিভাবে এত বড় কমিটমেণ্ট আশা করেন?”

আমি বললাম, “আশা তো করতেসিনা - আমি যাওয়ার আগে আমার মনের কথাগুলো তোমাকে বলে যেতে পারতাম, অথবা না বলে যেতে পারতাম। দুই ক্ষেত্রেই লজিক্যালি তোমাকে হারানোর কথা - কিন্তু যাওয়ার আগে বলে গেছি বলে আমার আফসোস থাকবেনা।”

নীহাকে এতক্ষণ আমি একা জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম, এইবার নীহা আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। কাঁদছে নীহা - বুঝতে পারছি, ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে নীহা বলে, “এই প্রোজেক্টে যাওয়ার দরকার নেই, যাবেন না প্লিজ!”

ভালবাসার মানুষটি কাঁদলে খুশি হওয়া উচিত না, তবে আমি খুশি হলাম, It’s a yes.